Tuesday, April 3, 2012

Spot Narsinghdi and Dhaka:

7 people died in Extra Judicial Killing in Bangladesh.

By Bangladesh Media; 7 people were killed in Bangladesh by the Para military force Rapid Action Battalion (RAB). As usual Rapid Action Battalion demanded "they were criminal and died in a gun fight, where the criminals opened fire first against RAB and RAB returned fire back for self defense". 6 people were killed in Narsinghdi and 1 man in Dhaka district. In case of Narsinghdi RAB 11 and in Dhaka RAB 4 Battalion's involvement were confirmed by their press release.

RAB-11 demanded that "at least six ,suspected muggers, were killed and two others injured in a 'gunfight' with Rapid Action Battalion (RAB) in Narsinghdi Sadar Upazila on Monday". In another press release RAB-4 claimed that "on a tip-off, they had waylaid on the street behind the Krishi Bank branch at Mirpur-13 where a criminal and his accomplices were preparing for committing crime."  
Contrary to RAB's demand, in both cases, eye witnesses and relatives demanded that there were no gun fight. referring to an eye witness the daily New Age reports that the deceased were trapped in Narsinghdi, it reports that "the RAB team had rushed to bridge-5 near Shalidha helipad, blocked the Narsingdi-Madanganj road and shot the people traveling in a micro bus." And relatives of the deceased in Dhaka demanded that the man was picked up earlier by the civil clothes law enforcers and later killed by the Rapid Action Battalion.

Spot Norsinghdi: Six people, said to be snatchers, were killed in a ‘gunfight’ with RAB while they were trying to flee after snatching money from a businessman near the bus terminal in Narsingdi town Monday afternoon.
Witnesses, however, alleged that RAB personnel had blocked Narsingdi-Madanganj road at Shalidha and shot dead six people and injured some others. The deceased were identified by the law enforcers as Anwar Hossain, 27, microbus driver Mosharraf Hossain, 26, Saidur Rahman, 30, of Madhabdi, Masud Afridi, 30, and Arif, and their ‘leader’ Jamal, 45, of Bholta. The deceased and the injured were residents of the district, the Narsingdi model police station officer-in- charge Asaduzzaman told the media.

‘The gunfight took place at around 2:30pm in an area adjacent to bridge number 5 in Narsingdi,’ the RAB-11 commanding officer, lieutenant colonel Abu Hena Mostafa told the media. The RAB-11 company commander, major Khandaker Golam Sarwar claimed that a gang of armed muggers numbering 20 had snatched Tk 40,000 from a businessman at Narsingdi bus stand. The snatchers were trying to flee to Araihazar by a microbus, he said.

‘After receiving a phone call, we pursued the micro bus forcing it to stop in Shalidha helipad area,’ he claimed. But the RAB officer did not give the identity of the businessman, saying ‘it would hamper investigation of the incident.’ The police also could not name the businessman.

The RAB officer claimed that the businessman along with his nephew was scheduled to go to Dhaka by a bus.
Lieutenant colonel Mustafa, however, told the media that the businessman, whose money was snatched
away, informed him of the incident on mobile phone. ‘Immediately, we put up a roadblock near bridge number 5,’ he said. He claimed that the ‘muggers’ had opened fire on the RAB personnel, injuring two battalion men, triggering a ‘gunfight’.

After the encounter, three bodies were found on the ground while two in the micro bus and one on a truck the gang had hired for mugging, Sarwar claimed. Narsingdi police sent the bodies to the general hospital morgue for postmortem examinations. The injured snatchers, Amar Biswas, 36, of Raipura,  Monir Omar, 25, of Panchdona, Shaon, 24, of BIshaldi  and Masum, 28, of Shibpur, and two RAB personnel – Saiful Islam and Sohel–  were admitted to the same hospital. 

RAB officials claimed that they has seized three revolvers, one shutter gun, three rounds of bullet, eight mobile sets and Tk 40,000 from their possession and the vehicles used for the ‘mugging.’

One witness, however, told New Age that the RAB team had rushed to bridge-5 near Shalidha helipad, blocked the Narsingdi-Madanganj road and shot the people traveling in a micro bus.

Spot Dhaka: In Dhaka, a garment waste trader, who was picked up from in front of his rented house at Keraniganj on Sunday, was shot dead in another incident of ‘crossfire’ with the RAB in a narrow street in Mirpur area early Monday.

RAB killed Abdul Momin, 24, who had rivalry with a local leader of Awami League over garment waste trade, alleged his widow Josna Akhter Poly. The Kafrul police, however, identified the deceased as Md Momin alias Lengra Momin, 32, of Brahmanbaria, and an accused in eight criminal cases for extortion, abduction and murder with Kafrul, Pallabi and Sher-e-Bangla Nagar police stations.

Momin’s widow alleged that her husband had rivalry with Rubel, an Awami League leader at Mirpur.
Rubel denied he had any contacts with Momin. The RAB-4 in a press release claimed that on a tip-off, they had waylaid on the street behind the Krishi Bank branch at Mirpur-13 where Momin and his accomplices were preparing for committing crime.

Sensing their presence, the ‘miscreants’ opened fire on the RAB men, prompting a ‘gunfight’, the release claimed. The law enforcers found Momin lying on the ground with bullet wounds  while his accomplices fled the scene. RAB claimed that the locals had identified the man as Momin but the locals said they were not allowed to see the man lying on the street.
Dhaka Medical College Hospital sources said Momin was brought dead to the hospital.

5 comments:

  1. আতাউর রহমান/প্রীতিরঞ্জন সাহা, নরসিংদী থেকে
    'ওরা নির্দোষ। র‌্যাব ওদের ডেকে নিয়ে গুলি করে হত্যা করেছে। অপরাধী হলে গ্রেফতার করে বিচারের মুখোমুখি করা যেত। কেন গুলি করে ওদের হত্যা করা হলো? ছয়জনই ঘটনার শিকার।' ক্ষোভ আর কান্নাজড়িত কণ্ঠে এসব কথা বলেন নরসিংদীতে র‌্যাবের
    সঙ্গে 'বন্দুকযুদ্ধে' নিহত ছয় যুবকের স্বজনরা। নিহত ছয় যুবকের বাড়িতে গতকাল ছিল শোকের মাতম। কান্নায় ভেঙে পড়েন নিহতের স্বজনরা। এমন নিষ্ঠুর মৃত্যু কোনোভাবেই তারা মেনে নিতে পারছেন না। তবে পুলিশ ও র‌্যাব বলছে, নিহতদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় একাধিক মামলা রয়েছে। তারা পেশাদার ছিনতাইকারী।
    নরসিংদীর সুশীল সমাজ ও মানবাধিকার নেতারা বলছেন, তারাও সন্ত্রাসীর গ্রেফতার ও বিচার চান। জনজীবনের নিরাপত্তা চান। এক্ষেত্রে আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলোর আরও সতর্ক হওয়া উচিত। তাদের মতে, বন্দুকযুদ্ধ হলে উভয়পক্ষের লোকজন হতাহত হওয়ার কথা।
    গতকাল মঙ্গলবার নরসিংদী সদর হাসপাতাল মর্গ থেকে নিহতদের স্বজনরা লাশ গ্রহণ করেন। মোশাররফের বাড়িতে তার মুক্তিযোদ্ধা বাবা আবদুল আউয়াল সমকালকে বলেন, 'আমার ছেলে ছিনতাইকারী_ এটা বিশ্বাসযোগ্য নয়। আট বছর ধরে মোশাররফ মাইক্রোবাস চালিয়ে সংসার চালিয়ে আসছে। সোমবারও সে মাইক্রোবাস নিয়ে পাঁচদোনা থেকে শহরের বাসস্ট্যান্ড এলাকায় যায়। রাতে আমি জানতে পারি, র‌্যাবের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে আমার ছেলে মারা গেছে।' তিনি বলেন, '২০০২ সালে স্থানীয় নির্বাচনের সময় আমার ছেলের বিরুদ্ধে একটি সাজানো মামলা হয়েছিল। সে কোনো অপরাধী নয়।'
    মোশাররফের মা ফজিলা বেগম জানান, মোশাররফ দু'বছর আগে গাজীপুরের কোনাবাড়িতে এক পুলিশ কর্মকর্তার গাড়ি চালাত। এরপর থেকে সে নরসিংদীতে নিজেই ভাড়ায় গাড়ি চালাত। র‌্যাব তার ছেলেকে সন্ত্রাসী বানিয়ে হত্যা করেছে।
    মোশাররফের স্ত্রী রাশিদা আক্তারের দাবি, তার স্বামীকে গুলি করে হত্যার পর সন্ত্রাসী বানানো হচ্ছে। মোশাররফের তিন ছেলে ও একটি মেয়ে রয়েছে।
    নিহত ট্রাকচালক মাসুদ আফ্রাদের বাবা গিয়াসউদ্দিন জানান, আট বছর ধরে তার ছেলে বালুর ট্রাক চালাচ্ছে। কোনো দিনই ছেলের নামে খারাপ কিছু শোনেননি। ছেলেকে গুলি করে হত্যা করার পর র‌্যাব বলছে, মাসুদ সন্ত্রাসী। গিয়াসের দাবি, তার ছেলে অপরাধী হলে তাকে গ্রেফতার করা হলো না কেন? তাকে কেন গুলি করে হত্যা করা হয়েছে?
    সোমবার নরসিংদীতে র‌্যাবের সঙ্গে 'গোলাগুলিতে' নরসিংদীর বেলানগরের আবুল হাসেমের ছেলে ১৯ বছর বয়সী আরিফও নিহত হন। আরিফের পরিবারের দাবি, আরিফ কোনোভাবেই সন্ত্রাসী নন। বেলানগরে তার কম্পিউটারের দোকান রয়েছে। তিনি নিয়মিত দোকানে বসতেন।
    বাংলাদেশ মানবাধিকার সংস্থার নরসিংদী জেলা সভাপতি ও জেলা পরিষদের প্রশাসক অ্যাডভোকেট আসাদুজ্জামান সমকালকে বলেন, যে কোনো অপরাধী আইনের আওতায় আসুক, এটা সবাই চায়। তবে তা স্বচ্ছতার ভিত্তিতে হতে হবে। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের অভিযানে আরও সতর্ক হওয়া প্রয়োজন। তাহলে যে কোনো সন্দেহ বা সমালোচনা এড়ানো সম্ভব।
    এদিকে নিহতদের পরিবারগুলোর দাবির ব্যাপারে জেলা মানবাধিকার সংস্থার সাধারণ সম্পাদক সেতারা বাহার সমকালকে বলেন, তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন ও নিহতদের পরিবারের সঙ্গে কথা বলবেন। এ ছাড়া র‌্যাব-পুলিশ সদস্যদের সঙ্গেও কথা বলবেন তারা। তদন্ত করে দেখবেন কী ঘটেছিল। তবে বিচার বহির্ভূত হত্যাকাণ্ড কাম্য নয়।
    নরসিংদী সদর থানার ওসি মোঃ আসাদুজ্জামান বলেন, মোশাররফের নামে নরসিংদী সদর থানায় হত্যাসহ তিনটি মামলা, জামালউদ্দিনের নামে পলাশ, মনোহরদী ও নরসিংদী সদর থানায় ডাকাতি, ছিনতাইসহ চারটি মামলা, নাহিদের নামে নরসিংদী সদর থানায় ছিনতাইসহ দুটি মামলা, আরিফের নামে নরসিংদী সদর থানায় একটি মামলাসহ নিহত সবার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে।
    দাদির প্যান্ট পরা হলো না নাহিদের :দাদির দেওয়া প্যান্ট আর পরা হলো না নাহিদের। নানির বাড়িও যাওয়া হলো না তার। এর আগেই র‌্যাবের সঙ্গে কথিত বন্দুকযুদ্ধে প্রাণ দিতে হয়েছে মীর ইমদাদ স্কুল থেকে সদ্য এসএসসি পরীক্ষা দেওয়া নাহিদকে। সোমবার সকালে বাড়ি থেকে বের হওয়ার আগে মায়ের সঙ্গে শেষ কথা হয় তার। তখন তিনি মাকে বলেছিলেন, 'হাসপাতাল থেকে চিকিৎসক দেখিয়েই বাড়ি চলে আসব। বিকেলে নানির বাড়িতে যাব। ভাত রান্না করে রেখো।' মায়ের রান্না সেই ভাত আর খাওয়া হলো না নাহিদের। নাহিদের মা নাসিমা বেগম বলেন, 'আমার ছেলে কোনো খারাপ কাজে লিপ্ত ছিল না। তারপরও কেন আমার ছেলেকে মরতে হলো? শুক্রবার আমার ছেলে পিকনিকে যাবে বলে তার দাদি তাকে একটি নতুন প্যান্ট কিনে দেন। দাদির দেওয়া সে প্যান্ট আর পরতে পারল না আমার ছেলে।' এসব কথা বলতে বলতেই জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন তিনি।

    ReplyDelete
  2. http://www.thedailystar.net/newDesign/news-details.php?nid=228978

    ReplyDelete
  3. http://www.newagebd.com/detail.php?date=2012-04-04&nid=6083

    ReplyDelete
  4. http://www.prothom-alo.com/detail/date/2012-04-05/news/238089

    ReplyDelete
  5. I am Bijoy Brahmo, Village-Kalshira, P.O-Barashia, P.S-Chitalmary, District- Bagerhat want to be a royal eye wetness against a death pennalty.
    STETMENT
    Late. Vupal Brahma is my cousin and we are same tribe also was living as noghbour. He was killed by Underground Terrorist not by Shato Ranjon Barai. I have come to know Shato Ranjon Barai, S/O-Pulin Barai, Village-Ruyarkul, P.O-Barashia, P.S-Chitalmary, District-Bagerhat is going to be Death Pennalty under Section 302 but it is wrong. When Vupal Brahmo was killed & murdered that time Shato Ranjon Barai was in my House and with my another son Bidut Brahmo . He is not all connected and involved in that murder.
    I am continous under threat, if I speak this truth to the Court they will kill me. I am proud of your activites and only you can help me in this issue. Kindly help to save a innocent life and to approach me to the District Court Bagerhat. You most welcome ,Kindly take my interview also I told to the D.B Police but they got bribe and turned the case. More information,Kindly call our local (U.P)Member. Mobile : 01715634945 Mr. Dilp Mondal or E-mail : bijoybrahmo@yahoo.com

    ReplyDelete